জুলাই সনদ ও সংবিধান সংস্কার জাতীয় সংসদে উত্তপ্ত বিতর্ক



আসসালামু আলাইকুম প্রিয় পাঠক আশা করি ভালো আছেন, Teplive.com এর পক্ষ থেকে আজকের নতুন পোস্টে আপনাকে স্বাগতম।




সম্প্রতি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার নিয়ে এক উত্তপ্ত বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়, যা জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার জন্য সংসদে একটি নোটিশ দেয়। এই নোটিশ উত্থাপন এবং আলোচনার সময় নির্ধারণ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ দেখা যায়, যা এক পর্যায়ে হট্টগোলে রূপ নেয়। ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে এই আলোচনা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেশের ভবিষ্যতের সাংবিধানিক কাঠামো নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষ হওয়ার পরপরই বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে নোটিশটি উত্থাপন করে আলোচনার দাবি জানান। তবে সরকারি দলের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, প্রথা অনুযায়ী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন ও ৭১ বিধি শেষ হওয়ার পরই যেকোনো বিষয় উত্থাপনের কথা উল্লেখ করে। এই বিতর্কের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম কার্যপ্রণালি বিধি ও দীর্ঘদিনের রেওয়াজ মেনে অধিবেশন পরিচালনার আহ্বান জানান।


সংসদীয় বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু: জুলাই জাতীয় সনদ

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান তার নোটিশ উত্থাপনের সময়কাল নিয়ে দৃঢ় ছিলেন, ১৫ মার্চ স্পিকারের পূর্বের বক্তব্যের উপর ভরসা করে। তিনি এটিকে তার অধিকার ও দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন। তবে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের ওপর আলোচনা শেষে বিরোধী দলের আনা নোটিশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর আশ্বাস দেন। এই আশ্বাসের পর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়, কিন্তু মূল বিতর্ক তখনও অমীমাংসিত ছিল।

মাগরিবের নামাজের আগে ৭১ বিধির আলোচনা শেষে বিরোধীদলীয় নেতা কার্যপ্রণালী বিধির ৬২ বিধিতে মুলতবি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবটি জাতীয় সংসদের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য মুহূর্ত তৈরি করে, কারণ এটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হয়। ঢাকা সহ সারা দেশের মানুষ এই বিতর্কের দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখছিল।


আইন ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য

প্রস্তাবটি উত্থাপনের পর আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ফ্লোর নিয়ে এটিকে যৌক্তিক ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেন এবং আলোচনার দাবি রাখেন। তবে তিনি আলোচনার আগে প্রস্তুতির জন্য সময় চেয়েছিলেন। আইনমন্ত্রী প্রতিটি সংসদ সদস্যের টেবিলে বাংলাদেশের সংবিধান, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সম্ভব হলে মদিনা সনদ, হবস, লকস ও রুশোর সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট থিওরির বই রাখার অনুরোধ জানান। তিনি ১৯৭২ সালের গণপরিষদ আদেশ ও তার প্রেক্ষাপটও সংসদ সদস্যদের সামনে উপস্থাপনের কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের পর আবার ফ্লোর নেন এবং বিরোধীদলীয় সদস্যদের আপত্তি সত্ত্বেও বক্তব্য দেন। তিনি মুলতবি প্রস্তাবের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, যুক্তি দেন যে বিধি ৬২ অনুযায়ী 'জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ' বিষয়ে নোটিশ দেওয়া হলেও, এটি 'আইন প্রণয়নের' সাথে জড়িত হওয়ায় বিধি ৬৮ এর আওতায় পড়ে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সাধারণত দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি বা আইনশৃঙ্খলা অবনতির মতো ঘটনা নিয়ে মুলতবি প্রস্তাব হয়, কিন্তু সংবিধান সংশোধন আইন প্রণয়নের বিষয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন, যেখানে সরকারি দল, বিরোধী দল এবং স্বতন্ত্র সদস্যরা মিলে কাজ করবেন। তিনি বলেন, এই কমিটি দেশের সংবিধান বিশেষজ্ঞ, বিশিষ্টজন, স্টেকহোল্ডার এবং পত্রিকার সম্পাদকদের মতামত নিয়ে একটি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করবে। তার মতে, সমঝোতার ভিত্তিতে এমন একটি সংবিধান সংশোধন করা উচিত যা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করতে পারে।


ডেপুটি স্পিকারের রুলিং এবং অন্যান্য আলোচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে সংসদে হট্টগোল হয়, বিরোধীদলীয় সদস্যরা প্রতিবাদ জানিয়ে দাঁড়িয়ে যান। স্পিকার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বক্তব্য শেষ করার অনুরোধ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত, ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী তিন দিনের মধ্যে প্রস্তাবটি নিষ্পত্তি করতে হবে এবং আগামী ৩১ মার্চ মঙ্গলবার দিনের সর্বশেষ বিষয় হিসাবে দুই ঘণ্টা বিরোধীদলের নেতার মুলতবি প্রস্তাবটি আলোচনার জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ডেপুটি স্পিকারের এই রুলিংয়ের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাতে সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়ার কথা বলেন, কিন্তু ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে সবাইকে বসতে বলেন। এরপর বিরোধীদলীয় নেতাকে মাইক দেওয়া হলে তিনি ডেপুটি স্পিকারের রুলিংয়ের পর এ বিষয়ে আর কোনো কথা চলে না বলে মন্তব্য করেন এবং ডেপুটি স্পিকারের প্রতি সমর্থন জানান।

সংসদে সংবিধান সংস্কারের এই উত্তপ্ত আলোচনার পাশাপাশি আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় সংসদে বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে চরম দুর্নীতি হয়েছে। তিনি উত্তরাঞ্চলের রাস্তার অবহেলা এবং ফান্ড নিয়ে দায়িত্বশীলদের চলে যাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। আগামীতে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

মির্জা ফখরুল আরও জানান যে, ২০০৮ সাল থেকে ঢাকা মহানগরের ১২১টি রাস্তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে, যার মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনের ৮৩টি ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩৮টি। এসব নামকরণ করা হয়েছে বিশিষ্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা, ভাষাসৈনিক, সাংবাদিক এবং চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের শহীদদের নামে। উদাহরণস্বরূপ, গেন্ডারিয়ার দীননাথ সেন রোডের নাম ‘শহীদ শাহরিয়ার আনাস সড়ক’ এবং শেখ কামাল সরণির নাম ‘শহীদ ফারহান ফাইয়াজ সড়ক’ রাখা হয়েছে। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নাম পরিবর্তন করে ‘গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার’ এবং বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ’ রাখা হয়েছে, যা জুলাই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ।


জাতীয় সংসদের মর্যাদা ও ডেপুটি স্পিকারের অঙ্গীকার

ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা করতে এসে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, জাতীয় সংসদ হবে জাতির দর্পণ এবং প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা ও সুযোগের সমতা রক্ষায় তিনি সর্বদা নিরপেক্ষ থাকবেন। তিনি ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে বলেন, এই আন্দোলন ‘গণতন্ত্রের দ্বার উন্মুক্ত করেছে’ এবং জুলাই-আগস্টের শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে। তিনি শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম, মীর মুগ্ধসহ আন্দোলনে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

কায়সার কামাল সংসদকে প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এটি শুধু আইন প্রণয়নের স্থান নয়, জনগণের নিকট সরকারের জবাবদিহিতার জায়গাও বটে। তিনি গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হিসেবে আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতাকে তুলে ধরেন।


ক্রীড়াঙ্গনে দুর্নীতি দমনের প্রতিশ্রুতি

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জানিয়েছেন যে, ২০০৮ সাল থেকে ক্রীড়াঙ্গনে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘোষণা ক্রীড়া খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে তার নির্ধারিত আসনে উপস্থিত ছিলেন। স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনের দায়িত্ব পালন করেন।


প্রশ্নঃ জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে কেন বিতর্ক হচ্ছে?

উত্তরঃ বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার জন্য নোটিশ দেওয়ায় এই বিতর্ক শুরু হয়। এটি নোটিশ উত্থাপন ও আলোচনার সময় নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে procedural বিতর্কের জন্ম দেয়।

প্রশ্নঃ সংবিধান সংস্কারে আইনমন্ত্রী কী প্রস্তাব দিয়েছেন?

উত্তরঃ আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান প্রস্তাবটি যৌক্তিক ও সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি আলোচনার আগে প্রস্তুতির জন্য সময় চেয়েছেন এবং সংসদ সদস্যদের কাছে সংবিধান, জুলাই জাতীয় সনদ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট থিওরির বই রাখার অনুরোধ করেছেন।

প্রশ্নঃ ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল জাতীয় সংসদ সম্পর্কে কী বলেছেন?

উত্তরঃ ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেছেন যে, জাতীয় সংসদ হবে জাতির দর্পণ এবং তিনি প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা ও সুযোগের সমতা রক্ষায় সর্বদা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। তিনি সংসদকে জনগণের নিকট সরকারের জবাবদিহিতার স্থান হিসেবেও বর্ণনা করেছেন।

প্রশ্নঃ ঢাকা শহরের কোন কোন সড়কের নামকরণ পরিবর্তন করা হয়েছে?

উত্তরঃ ঢাকা মহানগরের ১২১টি রাস্তার নতুন নামকরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, গেন্ডারিয়ার দীননাথ সেন রোডের নাম ‘শহীদ শাহরিয়ার আনাস সড়ক’, শেখ কামাল সরণির নাম ‘শহীদ ফারহান ফাইয়াজ সড়ক’, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নাম ‘গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার’ এবং বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ের নাম ‘শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ’ রাখা হয়েছে।

প্রশ্নঃ ক্রীড়াঙ্গনে দুর্নীতি দমনে সরকার কী পদক্ষেপ নিচ্ছে?

উত্তরঃ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক জানিয়েছেন যে, ২০০৮ সাল থেকে ক্রীড়াঙ্গনে দলীয়করণ, দুর্নীতি ও অনিয়মের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জাতীয় সংসদে জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে চলমান বিতর্ক বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় তৈরি করেছে। সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সংসদীয় কার্যপ্রণালি এবং সংবিধানের ব্যাখ্যা নিয়ে তীব্র মতপার্থক্য থাকলেও, ডেপুটি স্পিকারের রুলিং অনুযায়ী আলোচনার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। এর পাশাপাশি, বিগত সরকারের আমলে দুর্নীতি, ঢাকার সড়ক নামকরণ এবং ক্রীড়াঙ্গনে স্বচ্ছতা আনার প্রতিশ্রুতিগুলো দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সংসদ জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে কতটা সফল হয়, তা দেখার জন্য আমরা সবাই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

Telegram GroupJoin Now
Facebook PageFollow Now
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url
Facebook Page
telegram
লিমিটেড অফার

প্রিমিয়াম সাজেশন গ্রুপ

৫ম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত

আপনার পরীক্ষার সেরা প্রস্তুতির জন্য জয়েন করুন আমাদের এক্সক্লুসিভ গ্রুপে। এখানে পাবেন সেরা নোট এবং অভিজ্ঞ শিক্ষকদের তৈরি ১০০% কমন সাজেশন

টেলিগ্রাম গ্রুপে জয়েন করুন * ভালো ফলাফলের জন্য কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।